📖 সূরা ভিউ
Al-Ma'aarij سُورَةُ المَعَارِجِ
এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ سَأَلَ سَاۤىِٕلُۢ بِعَذَابࣲ وَاقِعࣲ
একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত-
আয়াত 2
لِّلۡكَـٰفِرِینَ لَیۡسَ لَهُۥ دَافِعࣱ
কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
আয়াত 3
مِّنَ ٱللَّهِ ذِی ٱلۡمَعَارِجِ
তা আসবে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
আয়াত 4
تَعۡرُجُ ٱلۡمَلَـٰۤىِٕكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَیۡهِ فِی یَوۡمࣲ كَانَ مِقۡدَارُهُۥ خَمۡسِینَ أَلۡفَ سَنَةࣲ
ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
আয়াত 5
فَٱصۡبِرۡ صَبۡرࣰا جَمِیلًا
অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
আয়াত 6
إِنَّهُمۡ یَرَوۡنَهُۥ بَعِیدࣰا
তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
আয়াত 7
وَنَرَىٰهُ قَرِیبࣰا
আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
আয়াত 8
یَوۡمَ تَكُونُ ٱلسَّمَاۤءُ كَٱلۡمُهۡلِ
সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
আয়াত 9
وَتَكُونُ ٱلۡجِبَالُ كَٱلۡعِهۡنِ
এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
আয়াত 10
وَلَا یَسۡـَٔلُ حَمِیمٌ حَمِیمࣰا
বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
আয়াত 11
یُبَصَّرُونَهُمۡۚ یَوَدُّ ٱلۡمُجۡرِمُ لَوۡ یَفۡتَدِی مِنۡ عَذَابِ یَوۡمِىِٕذِۭ بِبَنِیهِ
যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান-সন্ততিকে,
আয়াত 12
وَصَـٰحِبَتِهِۦ وَأَخِیهِ
তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
আয়াত 13
وَفَصِیلَتِهِ ٱلَّتِی تُـٔۡوِیهِ
তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
আয়াত 14
وَمَن فِی ٱلۡأَرۡضِ جَمِیعࣰا ثُمَّ یُنجِیهِ
এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
আয়াত 15
كَلَّاۤۖ إِنَّهَا لَظَىٰ
কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
আয়াত 16
نَزَّاعَةࣰ لِّلشَّوَىٰ
যা চামড়া তুলে দিবে।
আয়াত 17
تَدۡعُوا۟ مَنۡ أَدۡبَرَ وَتَوَلَّىٰ
সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
আয়াত 18
وَجَمَعَ فَأَوۡعَىٰۤ
সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
আয়াত 19
۞ إِنَّ ٱلۡإِنسَـٰنَ خُلِقَ هَلُوعًا
মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
আয়াত 20
إِذَا مَسَّهُ ٱلشَّرُّ جَزُوعࣰا
যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে।
আয়াত 21
وَإِذَا مَسَّهُ ٱلۡخَیۡرُ مَنُوعًا
আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
আয়াত 22
إِلَّا ٱلۡمُصَلِّینَ
তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
আয়াত 23
ٱلَّذِینَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَاتِهِمۡ دَاۤىِٕمُونَ
যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
আয়াত 24
وَٱلَّذِینَ فِیۤ أَمۡوَ ٰلِهِمۡ حَقࣱّ مَّعۡلُومࣱ
এবং যাদের ধন-সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
আয়াত 25
لِّلسَّاۤىِٕلِ وَٱلۡمَحۡرُومِ
যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
আয়াত 26
وَٱلَّذِینَ یُصَدِّقُونَ بِیَوۡمِ ٱلدِّینِ
এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
আয়াত 27
وَٱلَّذِینَ هُم مِّنۡ عَذَابِ رَبِّهِم مُّشۡفِقُونَ
এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত-কম্পিত।
আয়াত 28
إِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمۡ غَیۡرُ مَأۡمُونࣲ
নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
আয়াত 29
وَٱلَّذِینَ هُمۡ لِفُرُوجِهِمۡ حَـٰفِظُونَ
এবং যারা তাদের যৌন-অঙ্গকে সংযত রাখে
আয়াত 30
إِلَّا عَلَىٰۤ أَزۡوَ ٰجِهِمۡ أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَیۡمَـٰنُهُمۡ فَإِنَّهُمۡ غَیۡرُ مَلُومِینَ
কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
আয়াত 31
فَمَنِ ٱبۡتَغَىٰ وَرَاۤءَ ذَ ٰلِكَ فَأُو۟لَـٰۤىِٕكَ هُمُ ٱلۡعَادُونَ
অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
আয়াত 32
وَٱلَّذِینَ هُمۡ لِأَمَـٰنَـٰتِهِمۡ وَعَهۡدِهِمۡ رَ ٰعُونَ
এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
আয়াত 33
وَٱلَّذِینَ هُم بِشَهَـٰدَ ٰتِهِمۡ قَاۤىِٕمُونَ
এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল-নিষ্ঠাবান
আয়াত 34
وَٱلَّذِینَ هُمۡ عَلَىٰ صَلَاتِهِمۡ یُحَافِظُونَ
এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
আয়াত 35
أُو۟لَـٰۤىِٕكَ فِی جَنَّـٰتࣲ مُّكۡرَمُونَ
তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
আয়াত 36
فَمَالِ ٱلَّذِینَ كَفَرُوا۟ قِبَلَكَ مُهۡطِعِینَ
অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
আয়াত 37
عَنِ ٱلۡیَمِینِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ عِزِینَ
ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
আয়াত 38
أَیَطۡمَعُ كُلُّ ٱمۡرِئࣲ مِّنۡهُمۡ أَن یُدۡخَلَ جَنَّةَ نَعِیمࣲ
তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
আয়াত 39
كَلَّاۤۖ إِنَّا خَلَقۡنَـٰهُم مِّمَّا یَعۡلَمُونَ
কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
আয়াত 40
فَلَاۤ أُقۡسِمُ بِرَبِّ ٱلۡمَشَـٰرِقِ وَٱلۡمَغَـٰرِبِ إِنَّا لَقَـٰدِرُونَ
আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
আয়াত 41
عَلَىٰۤ أَن نُّبَدِّلَ خَیۡرࣰا مِّنۡهُمۡ وَمَا نَحۡنُ بِمَسۡبُوقِینَ
তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
আয়াত 42
فَذَرۡهُمۡ یَخُوضُوا۟ وَیَلۡعَبُوا۟ حَتَّىٰ یُلَـٰقُوا۟ یَوۡمَهُمُ ٱلَّذِی یُوعَدُونَ
অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া-কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
আয়াত 43
یَوۡمَ یَخۡرُجُونَ مِنَ ٱلۡأَجۡدَاثِ سِرَاعࣰا كَأَنَّهُمۡ إِلَىٰ نُصُبࣲ یُوفِضُونَ
সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
আয়াত 44
خَـٰشِعَةً أَبۡصَـٰرُهُمۡ تَرۡهَقُهُمۡ ذِلَّةࣱۚ ذَ ٰلِكَ ٱلۡیَوۡمُ ٱلَّذِی كَانُوا۟ یُوعَدُونَ
তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।