📖 সূরা ভিউ
An-Naba سُورَةُ النَّبَإِ
এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ عَمَّ یَتَسَاۤءَلُونَ
তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
আয়াত 2
عَنِ ٱلنَّبَإِ ٱلۡعَظِیمِ
মহা সংবাদ সম্পর্কে,
আয়াত 3
ٱلَّذِی هُمۡ فِیهِ مُخۡتَلِفُونَ
যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।
আয়াত 4
كَلَّا سَیَعۡلَمُونَ
না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,
আয়াত 5
ثُمَّ كَلَّا سَیَعۡلَمُونَ
অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।
আয়াত 6
أَلَمۡ نَجۡعَلِ ٱلۡأَرۡضَ مِهَـٰدࣰا
আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা
আয়াত 7
وَٱلۡجِبَالَ أَوۡتَادࣰا
এবং পর্বতমালাকে পেরেক?
আয়াত 8
وَخَلَقۡنَـٰكُمۡ أَزۡوَ ٰجࣰا
আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি,
আয়াত 9
وَجَعَلۡنَا نَوۡمَكُمۡ سُبَاتࣰا
তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,
আয়াত 10
وَجَعَلۡنَا ٱلَّیۡلَ لِبَاسࣰا
রাত্রিকে করেছি আবরণ।
আয়াত 11
وَجَعَلۡنَا ٱلنَّهَارَ مَعَاشࣰا
দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,
আয়াত 12
وَبَنَیۡنَا فَوۡقَكُمۡ سَبۡعࣰا شِدَادࣰا
নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত-আকাশ।
আয়াত 13
وَجَعَلۡنَا سِرَاجࣰا وَهَّاجࣰا
এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।
আয়াত 14
وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلۡمُعۡصِرَ ٰتِ مَاۤءࣰ ثَجَّاجࣰا
আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,
আয়াত 15
لِّنُخۡرِجَ بِهِۦ حَبࣰّا وَنَبَاتࣰا
যাতে তদ্দ্বারা উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ।
আয়াত 16
وَجَنَّـٰتٍ أَلۡفَافًا
ও পাতাঘন উদ্যান।
আয়াত 17
إِنَّ یَوۡمَ ٱلۡفَصۡلِ كَانَ مِیقَـٰتࣰا
নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।
আয়াত 18
یَوۡمَ یُنفَخُ فِی ٱلصُّورِ فَتَأۡتُونَ أَفۡوَاجࣰا
যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।
আয়াত 19
وَفُتِحَتِ ٱلسَّمَاۤءُ فَكَانَتۡ أَبۡوَ ٰبࣰا
আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।
আয়াত 20
وَسُیِّرَتِ ٱلۡجِبَالُ فَكَانَتۡ سَرَابًا
এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।
আয়াত 21
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتۡ مِرۡصَادࣰا
নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,
আয়াত 22
لِّلطَّـٰغِینَ مَـَٔابࣰا
সীমালংঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরূপে।
আয়াত 23
لَّـٰبِثِینَ فِیهَاۤ أَحۡقَابࣰا
তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে।
আয়াত 24
لَّا یَذُوقُونَ فِیهَا بَرۡدࣰا وَلَا شَرَابًا
তথায় তারা কোন শীতল এবং পানীয় আস্বাদন করবে না;
আয়াত 25
إِلَّا حَمِیمࣰا وَغَسَّاقࣰا
কিন্তু ফুটন্ত পানি ও পূঁজ পাবে।
আয়াত 26
جَزَاۤءࣰ وِفَاقًا
পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে।
আয়াত 27
إِنَّهُمۡ كَانُوا۟ لَا یَرۡجُونَ حِسَابࣰا
নিশ্চয় তারা হিসাব-নিকাশ আশা করত না।
আয়াত 28
وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔایَـٰتِنَا كِذَّابࣰا
এবং আমার আয়াতসমূহে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত।
আয়াত 29
وَكُلَّ شَیۡءٍ أَحۡصَیۡنَـٰهُ كِتَـٰبࣰا
আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।
আয়াত 30
فَذُوقُوا۟ فَلَن نَّزِیدَكُمۡ إِلَّا عَذَابًا
অতএব, তোমরা আস্বাদন কর, আমি কেবল তোমাদের শাস্তিই বৃদ্ধি করব।
আয়াত 31
إِنَّ لِلۡمُتَّقِینَ مَفَازًا
পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।
আয়াত 32
حَدَاۤىِٕقَ وَأَعۡنَـٰبࣰا
উদ্যান, আঙ্গুর,
আয়াত 33
وَكَوَاعِبَ أَتۡرَابࣰا
সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।
আয়াত 34
وَكَأۡسࣰا دِهَاقࣰا
এবং পূর্ণ পানপাত্র।
আয়াত 35
لَّا یَسۡمَعُونَ فِیهَا لَغۡوࣰا وَلَا كِذَّ ٰبࣰا
তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।
আয়াত 36
جَزَاۤءࣰ مِّن رَّبِّكَ عَطَاۤءً حِسَابࣰا
এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,
আয়াত 37
رَّبِّ ٱلسَّمَـٰوَ ٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَمَا بَیۡنَهُمَا ٱلرَّحۡمَـٰنِۖ لَا یَمۡلِكُونَ مِنۡهُ خِطَابࣰا
যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।
আয়াত 38
یَوۡمَ یَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلۡمَلَـٰۤىِٕكَةُ صَفࣰّاۖ لَّا یَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنۡ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحۡمَـٰنُ وَقَالَ صَوَابࣰا
যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।
আয়াত 39
ذَ ٰلِكَ ٱلۡیَوۡمُ ٱلۡحَقُّۖ فَمَن شَاۤءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا
এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।
আয়াত 40
إِنَّاۤ أَنذَرۡنَـٰكُمۡ عَذَابࣰا قَرِیبࣰا یَوۡمَ یَنظُرُ ٱلۡمَرۡءُ مَا قَدَّمَتۡ یَدَاهُ وَیَقُولُ ٱلۡكَافِرُ یَـٰلَیۡتَنِی كُنتُ تُرَ ٰبَۢا
আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং কাফের বলবেঃ হায়, আফসোস-আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।