📖 সূরা ভিউ
Al-Fajr سُورَةُ الفَجۡرِ
এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ وَٱلۡفَجۡرِ
শপথ ফজরের,
আয়াত 2
وَلَیَالٍ عَشۡرࣲ
শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার,
আয়াত 3
وَٱلشَّفۡعِ وَٱلۡوَتۡرِ
যা জোড় ও যা বিজোড়
আয়াত 4
وَٱلَّیۡلِ إِذَا یَسۡرِ
এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
আয়াত 5
هَلۡ فِی ذَ ٰلِكَ قَسَمࣱ لِّذِی حِجۡرٍ
এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে।
আয়াত 6
أَلَمۡ تَرَ كَیۡفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,
আয়াত 7
إِرَمَ ذَاتِ ٱلۡعِمَادِ
যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং
আয়াত 8
ٱلَّتِی لَمۡ یُخۡلَقۡ مِثۡلُهَا فِی ٱلۡبِلَـٰدِ
যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি
আয়াত 9
وَثَمُودَ ٱلَّذِینَ جَابُوا۟ ٱلصَّخۡرَ بِٱلۡوَادِ
এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল।
আয়াত 10
وَفِرۡعَوۡنَ ذِی ٱلۡأَوۡتَادِ
এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে
আয়াত 11
ٱلَّذِینَ طَغَوۡا۟ فِی ٱلۡبِلَـٰدِ
যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল।
আয়াত 12
فَأَكۡثَرُوا۟ فِیهَا ٱلۡفَسَادَ
অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল।
আয়াত 13
فَصَبَّ عَلَیۡهِمۡ رَبُّكَ سَوۡطَ عَذَابٍ
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন।
আয়াত 14
إِنَّ رَبَّكَ لَبِٱلۡمِرۡصَادِ
নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন।
আয়াত 15
فَأَمَّا ٱلۡإِنسَـٰنُ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ رَبُّهُۥ فَأَكۡرَمَهُۥ وَنَعَّمَهُۥ فَیَقُولُ رَبِّیۤ أَكۡرَمَنِ
মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন।
আয়াত 16
وَأَمَّاۤ إِذَا مَا ٱبۡتَلَىٰهُ فَقَدَرَ عَلَیۡهِ رِزۡقَهُۥ فَیَقُولُ رَبِّیۤ أَهَـٰنَنِ
এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন।
আয়াত 17
كَلَّاۖ بَل لَّا تُكۡرِمُونَ ٱلۡیَتِیمَ
এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না।
আয়াত 18
وَلَا تَحَـٰۤضُّونَ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلۡمِسۡكِینِ
এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।
আয়াত 19
وَتَأۡكُلُونَ ٱلتُّرَاثَ أَكۡلࣰا لَّمࣰّا
এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল
আয়াত 20
وَتُحِبُّونَ ٱلۡمَالَ حُبࣰّا جَمࣰّا
এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস।
আয়াত 21
كَلَّاۤۖ إِذَا دُكَّتِ ٱلۡأَرۡضُ دَكࣰّا دَكࣰّا
এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর্ণ হবে
আয়াত 22
وَجَاۤءَ رَبُّكَ وَٱلۡمَلَكُ صَفࣰّا صَفࣰّا
এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন,
আয়াত 23
وَجِا۟یۤءَ یَوۡمَىِٕذِۭ بِجَهَنَّمَۚ یَوۡمَىِٕذࣲ یَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَـٰنُ وَأَنَّىٰ لَهُ ٱلذِّكۡرَىٰ
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
আয়াত 24
یَقُولُ یَـٰلَیۡتَنِی قَدَّمۡتُ لِحَیَاتِی
সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম!
আয়াত 25
فَیَوۡمَىِٕذࣲ لَّا یُعَذِّبُ عَذَابَهُۥۤ أَحَدࣱ
সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না।
আয়াত 26
وَلَا یُوثِقُ وَثَاقَهُۥۤ أَحَدࣱ
এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না।
আয়াত 27
یَـٰۤأَیَّتُهَا ٱلنَّفۡسُ ٱلۡمُطۡمَىِٕنَّةُ
হে প্রশান্ত মন,
আয়াত 28
ٱرۡجِعِیۤ إِلَىٰ رَبِّكِ رَاضِیَةࣰ مَّرۡضِیَّةࣰ
তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।
আয়াত 29
فَٱدۡخُلِی فِی عِبَـٰدِی
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও।
আয়াত 30
وَٱدۡخُلِی جَنَّتِی
এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।